মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

বিশ্ব অর্থনীতির প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাবে বেসরকারীখাত বাংলাদেশের শিল্পায়নে গুরম্নত্বপূর্ন ভূমিকায় অবর্তীন হয়। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ বেসরকারী উদ্যোগে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা এবং সেই শিল্প কারখানা সমুহকে লাভজনকভাবে পরিচালনাকেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসাবে গ্রহন করেছে। এ লক্ষ্যে শিল্প উদ্যোক্তাগণকে বিভিন্ন প্রকার প্রনোদনা ও সেবা প্রদানকে নীতি কৌশল হিসাবে অবলম্বন করা হয়েছে। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় ফ্যাসিলিলিটরের ভূমিকা পালন করছে। এতদউদ্দেশ্যে সরকার সময় সময় শিল্প নীতি প্রনয়ন করে। এক নজরে বিসিক,রংপুর

 

 

 

 

উভয় শিল্পকে বিনিয়োগের মাপকাঠিতে ৫(পাঁচ) ভাগে ভাগ করা হয়েছে

১)  বৃহশিল্পঃ  বৃহৎশিল্প বলতে সে সব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যে সব প্রতিষ্ঠানের জমি এবং কারখানা ঘর ব্যতিরেকে ও অন্যান্য স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১০(দশ) কোটি টাকার উর্ধ্বে।

২) মাঝারীশিল্পঃমাঝারী শিল্প বলতে সে সব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যে সব প্রতিষ্ঠানের জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১.৫০ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা ।

৩) ক্ষুদ্রশিল্পঃক্ষদ্র শিল্প  বলতে সে সব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যে সব প্রতিষ্ঠানের জমি এবং কারখানা   ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য অনাধি ১.৫০ কোটি টাকা ।

৪)   মাইক্রোইন্ডাষ্টি(কুটির শিল্প

   কুটির শিল্প বলতে যে সব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় বা পরিবারের সদস্যদের দ্বারা পূর্ন অথবা খন্ডকালীন সময়ে উৎপাদন অথবা সেবামূলক কর্মকান্ডে নিয়োজিত । বাংলাদেশ বেসরকারী খাতে শতকরা ৯০ভাগ ক্ষ্রদ্র,মাঝারী ও কুটির শিল্প এ কারনেই সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ,কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারী(এস,এম,ই)শিল্পের উন্নয়ন ও সমপ্রসারনে গুরুত্ব আরোপ করেছেন ।

বিসিক শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধিন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন(বিসিক)দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সমপ্রসারনে নিয়োজিত সরকারী খাতের মূখ্য প্রতিষ্ঠান বা সরকারের ফ্যাসিলিটরের ভূমিকায় অবর্তীন রয়েছে । বর্তমান বিসিক তৎকালীন ইসিসিক এর উত্তরসুরী বা ১৯৫৭ সনে এক সংসদীয় আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় ।বিসিক শিল্পনগরী, কেল্লাবন্দ, সিও বাজার, রংপুর।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter